e-sim কি ও কিভাবে কাজ করে (What and how it works)
e-sim
টেলিকমিউনিকেশন খাতের একটি নতুন প্রযুক্তি e-sim । আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই হয়তো প্রচলিত মোবাইল সিমকার্ড বিলুপ্ত হয়ে যাবে।তার জায়গা দখল করে নেবে e-sim ইতোমধ্যে বিশ্বের বহু দেশে ই-সেবা চালু হয়েছে ।
e-sim কি ও কিভাবে কাজ করে :
বর্তমান সময়ের আলোচিত একটি প্রযুক্তি হল e-sim এর পূর্ণরূপ হল এমবেডেড sim । এটি এমন এক ধরনের সিম মোবাইল হ্যান্ডসেট এর মধ্যে বসানো থাকে । সাধারণত আমরা সবাই ব্যবহার করেছি যা সহজেই এখন থেকে খুলে অন্য ফোনে লাগানো যায়। কিন্তু e-sim মূলত ফোনের মাদারবোর্ডের আগে থেকেই সংযুক্ত থাকে যার ফলে এই সিম খোলা লাগানোর ঝামেলা নেই। e-sim এর প্রযুক্তির Reraitabble অর্থাৎ এক সিমের মধ্যে আপনি পর্যায়ক্রমে একাধিক কোম্পানির মোবাইল সেবা ব্যবহার করতে পারবেন।
সে জন্য আপনার কাংখিত অপারেটরের প্রয়োজনীয় তথ্য e-sim এ ডাউনলোড করে নিতে হবে। e-sim এ সমর্থিত ডিভাইসে একটি QR কোড স্ক্যান করেই e-sim ইন্সটল করা যায়। কাজের ধরনের দিক থেকে সাধারণ সিম ও e-sim এর মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। উভয় ধরনের মোবাইল অপারেটরের সেল টাওয়ারের মাধ্যমে নেটওয়ার্ক সুবিধা প্রদান করে। e-sim শুধু মোবাইল ফোনে ব্যবহার করা যাবে না। এ প্রযুক্তি দিয়ে স্মার্ট ডিভাইস গুলো মোবাইল সিমের আওতায় আসবে।আকারে অনেক ছোট হওয়ার কারণে স্মার্টওয়াচ থেকে শুরু করে সকল ধরনের আইওটি ডিভাইস এ কাজ করতে পারবে।
2016 সালে স্যামসাং এর একটি স্মার্টওয়াচ সর্বপ্রথম স্থাপন করা হয়েছিল। স্মার্টফোনের ভেতর গুগোল পিক্সেল ফোন সর্বপ্রথম বসানো হয়েছিল।
এরপর অ্যাপল ও স্যামসাংয়ের ফোনে e-sim সেবা চালু করেছে। ধারণা করা হচ্ছে আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই e-sim টেলিকমিউনিকেশনের একটি স্ট্যান্ডার্ডে পরিণত হবে। যেহেতু ফিজিক্যাল সিম কার্ড দরকার হবে না তাই e-sim এ মোবাইল অপারেটর বদল করার অভিজ্ঞতা খুব সহজ হবে। e-sim এর জন্য স্মার্ট ফোনে কোন সিম কার্ড স্লট রাখতে হবে না। ফলে মোবাইল নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো আরো স্লিম ডিজাইনের ফোন নির্মাণ করতে পারবে।
এছাড়া e-sim সুবিধার কারণে স্মার্টফোনগুলোকে পানি ও ধুলাবালি প্রতিরোধী করে তৈরি করা যাবে। e-sim supported ডিভাইসের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে । খুব অল্প সময়ের মধ্যে মোবাইল থেকে শুরু করে পোর্টেবল কম্পিউটার পর্যন্ত প্রায় সকল ক্ষেত্রে এমবেডেড সিম কার্ডের ব্যবহার দেখা যাবে। গুগলের Android, IOS ও Microsoft Windows 10 ইতোমধ্যেই সাপোর্ট করে অর্থাৎ সকল ধরনের ডিভাইসে ব্যবহারের কোনো বাধা নেই।
ভবিষ্যতে আপনার কম্পিউটারে e-sim ব্যবহার করতে পারবেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে e-sim প্রযুক্তি অনেকদিন ধরেই ব্যবহৃত হচ্ছে। সম্প্রতি একটি বেসরকারি মোবাইল কোম্পানি বাংলাদেশেও e-sim এর যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে। e-sim এর মতই ভবিষ্যতের মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি 5G। 5G নেটওয়ার্ক প্রচলিত 4G নেটওয়ার্ক এর তুলনায় প্রায় 100 গুণ দ্রুত গতিসম্পন্ন। 5G নেটওয়ার্ক এর রেসপন্স টাইম হবে মানুষের চোখের পলক করার চেয়েও দ্রুত।
Wireless সংযোগের নতুন অধ্যায়ে 5G নেটওয়ার্ক সম্পর্কে জানতে চাইলে নিচের এই লিংকে ক্লিক করুন, Touch The Link
কোন মন্তব্য নেই
tnx